This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Web news লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Web news লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৪ নভেম্বর, ২০১২

নানা তথ্য নিয়ে ওয়েব পোর্টাল

প্রতিদিনের দরকারি বিভিন্ন তথ্য নিয়ে ইনফো অল ফর ইউ নামে একটি ওয়েবসাইট (www.infoall4u.com ) প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ভ্রমণ, কম্পিউটার, নির্দেশিকা, কবিতা, চাকরির খবর, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়, সংবাদপত্রের লিংক, মজার মজার গেমস ছাড়াও বিভিন্ন তথ্য রয়েছে।

শুক্রবার, ২ নভেম্বর, ২০১২

কম্পিউটার ক্রাশ ও এর প্রতিকার

কম্পিউটার ক্রাশের সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত। সমস্যা তা অনেকেই ফেস করছেন। ধরেন আপনি হয়ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতেছিলেন। হঠাৎ আপনার সম্পূর্ণ সিস্টেম হাং করল অথবা ব্লু-স্ক্রীন আর কিছু এরর ম্যাসেজ দেখা দিল। বাধ্য হয়ে আপনাকে All+Ctrl+Del চাইপা সিস্টেম রিবুট করতে হইল । আমার এই সমস্যা অনেকবার হইছে । তাই আজকে এইটা নিয়া লেখলাম। এইতার কারন অনেক থাকতে পারে। জেমনঃ সফটওয়্যার বাগস , মেমোরি ব্লক হওয়া ইত্যাদি।

ক্রাশ কেন হয়?

আগেরকালে পিসির আকৃতি ছোট করার আর এটা যাতে সবাই কিনতে পারে সেই দিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হইত। তারা হার্ডওয়্যার তৈরির সময় সবচেয়ে কম দামের পার্টস ব্যাবহার করত আর সফটওয়্যার লেখার সময় বিপদজনক শটকাট ইউস করত। তাছাড়া ধীর গতির পিসিতে ভাল পারফরমেন্স পাবার আশায় অপারেটিং সিস্টেম, সকল এপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ও ডিভাইস ড্রাইভার চালানোর জন্য মেইন মেমরির  একটি  নির্দিষ্ট স্পেস ব্যবহার করত। আর এগুলোর মধ্যে যদি কোন একটিতে ক্ষতিকর বাগ থাকত তাহলে তা পুরা সিস্টেম কে অচল করে দিত। সব সফটওয়্যার নির্দিষ্ট ও অরক্ষিত   স্পেস ব্যবহার করত। জার ফলে যেকোনো সফটওয়্যার এ একটি সমস্যা থাকলে তা অন্য সফটওয়্যার এ ছড়িয়ে পড়ত।যার ফলে সিস্টেম ক্রাশ।
কিন্তু আগেরকালের পিসিগুল যথেষ্ট বিশ্বত ছিল তাদের সহজ ও সরল আর্কিটেকচারের জন্য। আর এখনকার পিসিগুলোতে আগের কালের পিসিগুলোর তুলনায় বাঁশি ক্রাশ হয়। কারন বর্তমানে পিসির জটিল আকার ধারন করা ।
আরও কারন আছে ক্রাশ হওয়ার । পিসির বর্তমান অপারেটিং সিস্টেম এর কোড সাইজের স্বাভাবিক বাড়ার কথাই ধরুন। ১৯৯২ সালের উইন্ডোজ এনটি  এর অরিজিনাল ভার্সনে সোর্স কোড এর সংখ্যা ছিল ৪ মিলয়ন লাইন। আর ১৯৯৬ সালে রিলিজ হওয়া এনটি ৪.০ এ সোর্স কোড এর পরিমান দারাইছে ১৬.৫ মিলিয়ন। এর পরে যে উইন্ডোজ এনটি এর ৫.০ ভার্সন বের হইছে তাতে সোর্স কোড এর পরিমান আসিল ৩০ মিলিয়ন লাইন । এইবার বুঝেন ঠ্যালা শতকরা বাড়ার হার ৬ বছরে ৭০০%  ।
যদি এখানে কোন ক্ষতিকর বাগ থাকে তাহলে সিস্টেম ক্রাশ হতে কতক্ষণ লাগবে আপনারাই বের করেন?
অনেক সময় সফটওয়্যার এর সমস্যার কারনেও এটি হতে পারে । যখন কোন সিস্টেম ক্রাশ করে তখন সফটওয়্যার গুলো ফেইল করে। যদি এটি কোন এপ্লিকেশন হয় তাহলে আপনাকে আনসেভড  কাজ গুলা হারাতে হবে । তবে উন্নতমানের অপারেটিং সিস্টেম অবশ্যই অন্যান্য প্রোগ্রামের মেমোরি পার্টিশন রক্ষা করবে। অনেকসময় ক্রাশ করা প্রোগ্রামটি আর অনেক প্রোগ্রাম এ সমস্যা সৃষ্টি করে ফলে পুরা সিস্টেম অচল হওয়া যায়। তখন পিসি রিবুত করা ছাড়া উপাই নাই। আবার অপ্রত্যাশিত রিবুত হার্ডডিস্কে নানান জঞ্জাল বানাতে পারে। তার ফলে আপনার হার্ডডিস্ক ক্রাশ করতে পারে। তার পর আপনাকে নতুন হার্ডডিস্ক লাগাতে হবে।
আবার ভাইরাস এর কারনেও সিস্টেম ক্রাশ হতে পারে। আবার নতুন এক ঝামেলা হইল কম্পিউটার এর হার্ডওয়্যার চুরি। বিশেষ করে র‍্যাম চুরি । র‍্যাম চুরির ফলে সিস্টেম অন হওয়ার সময় প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার এর অভাবে আপনার সিস্টেম ক্রাশ করবে।

ক্রাশ প্রতিরোধঃ

  • ১) ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করেন। যেমনঃ নরটন অ্যান্টিভাইরাস। অ্যান্টিভাইরাস আপনার মেমরির কিছু অংশ হয়ত দখল করবে। কিন্তু এটি আপনার কম্পিউটার কে ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখবে । আর প্রতি ৩ মাস পর পর আপনার অ্যান্টিভাইরাস টি আপডেট দিন। আর মাসে অন্তত আপনার অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে সম্পূর্ণ পিসি স্কেন করুন। কোন কিছু ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড দেয়ার পর স্কেন করে নিন।
  • ২) আপনার কোন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল এর ব্যাকআপ করে নিন। যদিও এটি একটি বিরক্তকর জিনিস। কিন্তু সিস্টেম ক্রাশ হলে আপনার অই গুরুত্বপূর্ণ ফাইল টি যদি না খুজে পাওয়া যায় তাহলে অইটা মনে হয় আর খারাপ হবে।
  • ৩) সপ্তাহে অন্তত আপনার ড্রাইভ গুলো স্কেন ডিস্ক  দিয়ে স্কেন করিয়ে নিন। এর জন্য আপনার ড্রাইভ এর উপর রাইট ক্লিক করে properties এ ক্লিক করুন। তার পর tools ট্যাব এ প্রবেশ করে Scan Disk এ ঢুকে আপনার ড্রাইভ টি স্কেন করুন। এটি আপনার হার্ডডিস্ক টি চেক করে এরর গুলো রিপেইর করে দিবে।
  • ৪) প্রতি মাসে অন্তত একবার আপনার ড্রাইভ গুলো Defragment  করে নিন। এতে আপনার পিসি এর পারফরমেন্স বাড়বে।
  • ৫) স্টার্ট আপ থেকে অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করে ফেলুন।
  • ৬) অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইন্সটল করবেন না। করা থাকলেও আনইন্সটল করে ফেলুন।
  • ৭) বেশি প্রোগ্রাম একসাথে রান করবেন না। ফলে আপনার মাল্টিটাস্কিং  সুবিধা নিতে গিয়ে সিস্টেম রিসোর্চ ঘাটতি ঘটে আপনার সিস্টেম ক্রাশ করবে ।
  • ৮) ক্রাশ প্রটেক্টর সফটওয়্যার ব্যবহার করুন । আমি কিছু ক্রাশ প্রটেক্টর সফটওয়্যার এর নাম দিলাম। যখন কোন প্রোগ্রাম ক্রাশ করার পর্যায় এ চলে আসে তখন এসব ক্রাশ প্রটেক্টর সফটওয়্যার  অপারেটিং সিস্টেম কে এটি জানায়। তখন অপারেটিং সিস্টেম অই প্রোগ্রাম টিকে চালু রাখতে সাহায্য করে ও সমস্যা সমাধানে চেষ্টা চালায়। যদি তা সম্ভব না হয় তখন অপারেটিং সিস্টেম প্রোগ্রাম টি থেকে আনসেভড  ফাইল সংরক্ষণ করতে চেষ্টা করে।

এইখানে কয়েকটি ক্রাশ প্রটেক্টর এর নাম দিলামঃ

  • 1) PC Medic
  • 2) Norton Crash Guard
  • 3) Crush Defender Deluxe
  • 4) First Aid
  • 5) Safe & Sound

সোমবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১২

অনলাইনে স্ক্যান করুন ভাইরাস

কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের অন্যতম প্রধান শত্রু হচ্ছে ভাইরাস। বিশ্বব্যাপী হ্যাকারদের দৌরাত্ম্যে ভাইরাস আর নানান ধরনের ম্যালওয়্যার বা স্পাইওয়্যারের সাথে প্রতিনিয়তই যুদ্ধ করতে হয়। ভাইরাস, ম্যালওয়্যার বা স্পাইওয়্যারের হাত থেকে রক্ষা পেতে তাই ভালো অ্যান্টিভাইরাসের বিকল্প নেই। তবে প্রতিদিন যে পরিমানে নতুন নতুন ভাইরাস, ম্যালও্যার আর স্পাইওয়্যার তৈরি হয়, তাতে করে কোনো নির্দিষ্ট একটি অ্যান্টিভাইরাসের ওপর অনেকেই নির্ভর করে থাকতে চান না। এই ক্ষেত্রে আপনাকে সহায়তা করতে পারে অনলাইন ভাইরাস স্ক্যানার। অনলাইনে ভাইরাস টোটাল সাইলে গিয়ে আপনি যেকোনো ফাইল একাধিক অ্যান্টিভাইরাসের মাধ্যমে স্ক্যান করে নিশ্চিত থাকতে পারেন। এর জন্য আপনাকে এই লিংকে যেতে হবে। এখানে গিয়েই আপনি যেকোনো ফাইল আপলোড করতে পারবেন। আর ফাইল আপলোডের ক্ষেত্রে সাইজ ৩২ মেগাবাইট পর্যন্ত সমর্থন করে এই সাইট। ফাইল আপলোড করে স্ক্যান কমান্ড দিলেই ফাইলটি সংক্রিয়ভাবে স্ক্যান হয়ে যাবে অনলাইনে একাধিক অ্যান্টিভাইরাসের সাহায্যে। কেবল ফাইল স্ক্যানিংয়ের জন্যই নয়, যেকোনো ওয়েবসাইটও যদি স্ক্যান করতে চান, সে কাজটিও করে দেবে ভাইরাস টোটাল। আর তার জন্য কেবল আপনাকে সংশিষ্ট সাইটের ইউআরএল (এড্রেস) আপলোড করে দিতে হবে নির্দিষ্ট স্থানে। ভাইরাস টোটালে মূলত রয়েছে একটি শক্তিশালী অনলাইন কমিউনিটি। সেই কমিউনিটি থেকেই নানান ধরনের ফাইল আপলোড করে স্ক্যান করার পর সেই ফাইলের যাবতীয় তথ্য সাথে সাথেই পাওয়া যায় ভাইরাস টোটালে। ভাইরাস টোটালের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এখানে যেকোনো ফাইল স্ক্যান করার পর আপলোড করা ফাইল বা ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়। ফলে ফাইল বা সাইটটি থেকে স্ক্যান করার পর সেটি সম্পর্কে নিশ্চিন্তে থাকা যায়।

মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১২

ওয়েবসাইটে নানা তথ্য

দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য, সংবাদ এবং সংবাদপত্রের লিংক নিয়ে ইন্টারনেটে চালু হয়েছে একটি ওয়েবসাইট। এতে চাকরি, ভ্রমণ, শেয়ারবাজার, সরকারি ওয়েবসাইটসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওয়েব লিংক রয়েছে। ঠিকানা: www.onlinenewspapersbd.com । —বিজ্ঞপ্তি